কুচলিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত দখল নিল তৃণমূল
দি নিউজ লায়ন; কুচলিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটে জয় হল তৃণমূলের। তৃণমূলের ১০জন পঞ্চায়েত সদস্যের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার প্রধানের অপাসারনের জন্য ভোট প্রদান করা হয়। এদিন অনাস্থা ভোটের প্রস্তাবে গ্রাম পঞ্চায়েত দপ্তরে হাজির ছিলেন না ভাজপার পঞ্চায়েত সদস্যরা। যার ফলে অনাস্থা ভোটের প্রস্তাবে বিজেপির দখলে থাকা কুচলিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এখন তৃণমূলের দখলে।
মেখলিগঞ্জের ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত কুচলিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১৭সংখ্যা বিশিষ্ট এই গ্রাম পঞ্চায়েত ত্রিশঙ্কু হয়। কোন দল একক ভাবে পঞ্চায়েত বোর্ড দখল করতে পারেনি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি পায় ৭টি আসন, তৃণমূল পায় ৫টি, ফরওয়ার্ড ব্লক পায় ৩টি ও নির্দল পায় ২টি আসন। এরপর নির্দল ও ফরওয়ার্ড ব্লকের সমর্থনে তৃণমূল পঞ্চায়েত বোর্ড দখল করলেও ২০২১-শের বিধানসভা নির্বাচনের আগ মুহুর্তে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সহ এক পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপিতে যোগ দিলে কার্যত পঞ্চায়েত বোর্ড দখল করে বিজেপি।
তবে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল জয়ী হতেই গ্রাম পঞ্চায়েত দখলে মরিয়া হয়ে ওঠে তৃণমূল কংগ্রেস।গত কয়েকদিন আগেই শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ চন্দ্র অধিকারীর হাত ধরে কুচলিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য পার্বতী রায় ও অজিত সিদ্ধা তৃণমূলে যোগ দেন। মঙ্গলবার কুচলিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জয়শ্রী রায়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে পঞ্চায়ের বোর্ড দখল করে নিল তৃণমূল কংগ্রেসে বলে ধারনা করা হচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। এদিন নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে কুচলিবাড়ি থানার পক্ষথেকে মোতায়েন করা হয়েছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। যদিও এই নিয়ে প্রধান জয়শ্রী রায় কোন মন্তব্য করতে চান নি।

Post a Comment